Sunday, October 4, 2020

গ্রীষ্ম বর্ষা শরৎ শীত

ফেলুদাকে আমার পোষায়না। ফেলুদার গল্প পড়তে যে ভয়ানক খারাপ লাগে তা না, এক-আধটা ভালোই, কিন্তু ফেলুদাকে জাস্ট নেয়া যায়না। ছোটবেলায় এটা আমার খুব চাপ লাগত। এই যে সক্কলে ফেলুদার এতো ফ্যান। ছোট-বড় মিলে এত এঞ্জয় করে। আর আমার পড়লেই বিরক্ত লাগে। আমি কি পাগল নাকি! সেই দশের সমস্যা আজ চল্লিশেও রয়ে গেছে। ফেলুদার পপুলারিটি আর আমার বিরক্তি কোনটাই বদলায়নি। তাই ভাবলাম লিখেই ফেলি। আর মার খাবার তো ভয় নেই, বঙ্গজন সুধী, পছন্দ না হলে হয় ভ্রুকুটি নয় চার অক্ষর।

শুরুর আগের কথা। ফেলুদা সাহিত্যের ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নেই। ওরম ঝকঝকে আনন্দবাজারের ভাষা কমই পড়েছি। আমার চেষ্টা শুধু ফেলুদার চরিত্রহননের। 

ফেলুদা প্রচন্ড প্রিভিলেজেড, প্রচন্ড পাকা, আর গা গুলোনো মধ্যবিত্ত, এক কথায় বালিগঞ্জ। আরো চাপের হল ফেলুদার প্রিচিং। 


এটা নিশ্চই আপনাদের বলতে হবেনা যে বেহালা, বালিগঞ্জ, খিদিরপুর এগুলো সব properties সহজেই টেস্ট করা যায়। যেমন ধরুন ক্যালেন্ডার টেস্ট। কোন বাড়ি বেহালা কি বালিগঞ্জ জানতে হলে খুঁজুন মা কালী- ক্যালেন্ডার, পেলে বেহালা, না পেলে হতেও পারে বালিগঞ্জ। নেক্সট টেস্ট, খুঁজুন রবিগুরুর পোর্ট্রেট কি বাস্ট, নো মা কালী আর ইয়েস রবিগুরু, শিওর বালিগঞ্জ। বাকি attribute গুলো এমনি বসিয়ে নেওয়া যায়, পাঠভবন, সুমন, তন্তুজ, মানিকদা, জর্জদা, ফেলুদা, টিনটিন, গ্লেন ফিডিচ, শান্তিনিকেতনে পৌষমেলা। বেহালার বাড়িতে এর আদ্ধেক কথার মানেও কেউ জানেনা।


ফেলুদা পুরুষ, লম্বা, ফরসা, সুদর্শন, সুগঠন, উচ্চবর্ণ, উচ্চবিত্ত, উচ্চশিক্ষিত। দায়িত্ব নেই কোনরকম (এটা অবশ্য পুরুষমাত্রেই) এমন কি ফেলুদা যে অনাথ, সেটাও অলমোস্ট ওর প্রিভিলেজ। কাকা কাকিমা (কাকিমাটা বোধহয় সিনেমার থেকে ভাবছি, বইতে আছে? ) যে শুধু দামড়া বয়েস অব্দি পোষেন তা নয়, তারা পুরোপুরি in awe! সত্যি বলতে যে কেউ ফেলুদাকে দেখলেই in awe, প্রিভিলেজ চমকায় নিশ্চই চোখেমুখে, নইলে কেন। এবার বঙ্গদেশে যে কটা অনাথ বাচ্চা, এমন কি যে কটা বাচ্চাবুড়ো, তাদের মধ্যে সুবিধের লিস্টে ফেলুদার স্থান কিরম ভাবুন একবার। একি গল্প বাবার ক্ষেত্রেও (ফেলুদার কি মা আছে?), কোন অঙ্কের মাস্টারের এমন দাপট থাকে। কজনের ভাই ভাইয়ের বউ তার ছেলেকে এত তেল দিয়ে পোষে? রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার। ফলটাও তেমনি, এই পরিমান সুবিধে পেয়ে যে ফেলুদা মোটামুটি বড়লোকের খিদ্মত্গারি করে দিন কাটান আর ইয়ার্ডলি ল্যাভেন্ডার আর ম্যাগনাম সেন্টের গন্ধবিচার করে বাহবা পান, এতে অবাক কি আর। আম্বানির ছেলে হলে, রোগা হওয়াই জীবনের শ্রেষ্ঠ চ্যালেঞ্জ।


পাকামোর দুটো উদাহরণ দেব, বাকি আপনার দায়িত্ব। এক, প্রদোষ সি মিটার। সিরিয়াসলি? মানে আংরেZ চলে গ্যয়ে ভাই, অনেক দিন। আপনার বাবা না স্বাধীনতা সংগ্রামী? মিত্রকে কেউ মিটার বলেনা, পাগলেও না। ফেলুদার ৩০-৪০ বছর আগে শিব্রাম বরং উল্টো বলে গেছেন, অমর গল্পগ্যাস মিত্রের গ্যাস দেওয়াতে। দুই, কোন গল্প মনে নেই, লালমোহনবাবু ঢুকতেই ফেলুদা শুরু, আপনি এই খেলার এই গ্যালেরির এই কোনে বসেছেন, দুবার বগলে হাত বুলিয়েছেন, আপনার পাশের লোকটা গুটকা খায় আর কানে বিড়ি রাখে, মুসলমান, ইত্যাদি ইত্যাদি। আর সকলে হৈহৈ, "হরি হরি, কি খেল দেখালে গুরু।”  কিন্তু কেন? মানে এই এতগুলো ইন্ফরমেশন ইন্ফার বা ডিডিউস করে (যার নব্বইভাগের হাজারটা অন্য মানে হতে পারে) লাভটা কি হল? লালমোহনবাবুকে জিজ্ঞেস করলেই জানা যেত তো সব। এত কেরদানির দরকার হতনা। কিন্তু কেরদানি না দেখালে ফেলুদার চলবে কেন? আর তো কাজ নেই। যেসব পাকা বাচ্চা বাড়িতে কেউ এলে আবৃত্তি করে শোনায় তার থেকে তফাত নেই কিছু। বাচ্চাগুলো উনতিরিশে এরম করবে না আশা (আমার ছোটবেলায় অবিশ্যি আফ্রিকা পদ্য পড়া কাকুরাও ছিল) ফেলুদার থেকে রেহাই নেই।


প্রসঙ্গত, সিধুজ্যাঠার কথাও ভাবুন। একটা খিটকেল বুড়ো, কাগজ কেটে জমায়, তাও খুনখারাপি রাহাজানির খবর। কি আজব। আপনি আমি হলে পাগলাগারদ, সিধুজ্যাঠা দেবতূল্য। কত পয়সা? খাওয়ায় কে? চাকর বাকর কটা? আর জ্যাঠামোর কথা তো বাদই দিলাম। ফেলুকেও পরীক্ষা দিতে হয়, কে কবে কার ফিঙ্গারপ্রিন্ট, যত ভুলভাল।


কিরম মধ্যবিত্ত? একটাই উদাহরন দেব। ফেলুদার চেহারাটা ভাবুন, ছফিট লম্বা, যোগব্যায়াম করা, ১৫ মিনিটে জুডো কি হক্কাইদো শিক্ষা, মারপিট থেকে হ্যান্ডস্ট্যান্ড সবেতেই তুখোড়। সেই লোকটা ক্রিকেটে কি করে? স্লো অফ ব্রেক। হা ইশ্বর। 


এবার শেষের কথা, ফেলুদার প্রিচিং। আগে ফেলুদা কি নিয়ে কথা বলেনা সেটা দেখি, ফেলুদা গরিব লোকের কথা বলেননা (সোনার কেল্লা বলবেন তো? খালি নামটা দেখুন), মেয়েদের কথা তো নয়ই। ফেলুদার আশ্চর্য বুদ্ধিতে সার্কাসের রোম্যান্টিসিজ্ম ধরা পড়ে, জন্তু-জানোয়ারের কষ্ট, কদাচ না। এদিকে এক্সেন্ট্রিক বড়লোক, ফেলুদার প্রিয় চরিত্র। কি নিয়ে বলেন? অবান্তর বাজে ফান্ডা, যেমন ধরুন অধিকাংশ লোক নাকি থেকে এর মধ্যে সংখ্যা বললে বলে , ১০ এর মধ্যে হলে , আর ফুল গোলাপ। বিবিসির কফি রিসার্চও (যার থেকে আজ জানা যায় কফি খেলে মনোবল বাড়ে। কাল জানা যায়, আসলে মনোবল না, চুলকুনি বাড়ে মাত্র।), এর থেকে scientific কিন্তু ফেলুদা কি বাণী দেন তাই নিয়ে আমার চিন্তা নেই, কিভাবে সেটা নেওয়া হয় তাই নিয়ে অসুবিধে। ধরুন এই যে তোপসে, স্বেন হেদিন থেকে বেগম আখতার পর্যন্ত সব ব্যাপারে ফেলুদার বক্তব্যকে যে আপ্তবাক্য বলে মেনে নেয়, এটা কি ভালো কথা? এই যে কোন প্রশ্ন না করা। ফেলুদা, এবং সেই সূত্রে বালিগঞ্জ আর যতরকম হাফ ইংরেজ ঢ্যামনামোতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তোপসে কি কোনদিন ভাববে সার্কাসের জন্তুরা কিরম অত্যাচারিত। কি আমরা মেয়েদের সাথে কেমন ব্যবহার করিফেলুদার শ্রেষ্ঠত্বের স্বতসিদ্ধতা আর তার সুবাদে ফেলুদার কোন কথা বা কাজের বিরুদ্ধতা যে অভাবনীয়, এবং তারই করোলারি হিসেবে যে আমাদের সকলের বালিগঞ্জের আভিজাত্যের জয়জয়কার করা উচিত, এই দাবিটা ফেলুদায় বড্ড। 


রিডেম্পশন? আমার পাঠে লালমোহন বাবুর প্রতি শ্রদ্ধা, দেশি আর্টের প্রতি দরদ, আর সুকুমার রায়। 


শেষের গল্প। ছোটবেলায় বাড়িতে খুব চাপ ছিল, তাই বাইরে বাইরে বেড়াতাম। ক্লাবরুমে টিভিতে খেলা দেখাচ্ছে, ১৯৯১/৯২ ক্রিকেট ওয়ার্ল্ডকাপ, ইন্ডিয়া অস্ট্রেলিয়া। কে একটা ববির কথা বলায় এক মাতব্বর ক্লাবসদস্য বললেন, “আরে ববি রবসন (১৯৯০ এর ফুটবল ওয়ার্ল্ডকাপ মনে করুন), কি ভালো কোচ।আমি ফস করেওটা রবসন না, সিম্পসন, ববি সিম্পসন।কি ভাবছেন? সবাই বাহ বাহ বলল? না। আমার পাকামো অচিরেই শাস্তি পেল। খেলা আর দেখা হল না। ইন্ডিয়া রানে হারল। গুনে দেখলাম, এক পুংলিঙ্গ ছাড়া বাকিগুলো সবইনা” (বেঁটে মোটা কালো গরীব), আমার ভাগ্যে। প্রিভিলেজ speaks, বাকিদের চুপ থাকাই ভাল। 


Monday, September 28, 2020

সুচিন্তা


কদিন আগে এক বন্ধুর instagram- একটা মিম দেখলাম। এক সুশ্রী ফিট তরুনী জিম-এর জামাকাপড় পরা, হেঁটে যাচ্ছেন, মুখে মুখোস নেই, পাশে এক প্রচন্ড মোটা মহিলা (আমেরিকান মোটা) হুইলচেয়ারে, মাস্ক পরা। ছবিতে মুখোস পরা মহিলা চোখ বড় করছেন, আর তাই দেখে তরুনী বলছেন, “Are you blaming me?” ইঙ্গিতটা পরিস্কার। আমরা যারা জিমটিম করি, শরীরের যত্ন নিই, যারা কোভিড হলেও টস্কাবোনা সহজে, তাদের সাথে এইসব হেঁজিপেঁজি লোভী মোটা এক্সারসাইজ না করা জনগনের তুলনা হয়ে নাকি! এদের জন্যেই দুনিয়ার এই হাল, ইত্যাদি। 



এখন এই কোভিডের বাজারে মাস্ক না পরা তরুনীকে আপনারা সমর্থন করবেন না জানি, কিন্তু মূল কথাটা প্রায় সবাই মানবেন। শরীর-মন-ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন, এবং তাতে যে সমাজ সংসার earth environment democracy সকলেরি প্রভূত মঙ্গল, এটা আজ স্বতসিদ্ধ। মায় আমাদের কলির ত্রাতা মোদি অব্দি বলেছে ফিট ইন্ডিয়া। সক্কলে খুশি। 


এটা ঠিক নয়। 


মানে আপনি হেঁটে, দৌড়ে, জিম হ্যানোত্যানো করে অনবদ্য বডি বানাবেন, আপনার পেটে আট কি ষোল প্যাক হবে, আপনার পুশ-আপের টিকটক ভিডিওতে হাজার খানেক লাইক পড়বে, সব- খুব আনন্দের কথা। কিন্তু তার সাথে সাথে আপনি দেশ কি জগতোদ্ধারের গুস্টিসুখও পাবেন, এইখানেই একটু আপত্তি। সোজাসাপ্টা, আপনার এই হেল্দি লাইফস্টাইলে কারুর কিচ্ছুটি সুবিধে হচ্ছেনা, এমন কি যত মাতাল গেঁজেল পেটমোটা হুমদো লোকজনকে দেখে আপনার হালকা বিবমিষা হয় তাদের তুলনায় দীনদুনিয়ার ক্ষতি আপনি বেশি বই কম করছেন না। এমন কি ফিলসফিকালিও ব্যপারটা বেশ গোলমেলে, এই যে আপনি জিম ইত্যাদি করে নিজে বেশ খুসি হচ্ছেন, এটা অতিভক্ষন বা মাতলামোর থেকে উৎকৃষ্টতর কোন আনন্দ, এইরম ভাববার কোন কারণ নেই। আর সেইটা বলতেই এই লেখা। 


কথা না বাড়িয়ে প্রমান দিই। আপনি মনে করেন রেগুলার ব্যায়াম করা হেল্দি জীবনযাপন ভাল, আর অতিভক্ষন খারাপ। Sorry to say, কিন্তু আপনি অতিভক্ষক। সহজ হিসেব, আপনি এক্সারসাইজ করে ধরুন দিনে ১০০ কিলোক্যালরি খরচা করেন (আপনার ওজন কমছেনা ধরা যাক), সেটা আসে কোথ্বেকে? খাবার। এবার ধরুন, একটা কলা খেয়ে আপনি এই শক্তিটা পেয়েছেন। সেটা না খেলে কি হত? আপনার শক্তি কমত ১০০ কিলোক্যালরি। তা দৌড়বাজিটা না করলেই তো ওই শক্তিটুকু আপনার লাগতোনা? আর কলাটাও খুসিমনে একটা অভুক্ত আফ্রিকান বাচ্চার মুখে যেত? যেহেতু এই কলাটা আপনার ব্যায়ামানন্দ ছাড়া আর কোন কাজে লাগছেনা, সেটা খাবার সাথে দিনে সতেরবার কোল্ডড্রিঙ্কস গেলার পার্থক্য আছে কিছু? মেটিরিয়ালিস্টিকালি তো না বোঝাই যাচ্ছে। আপনার না খাওয়া কলা আর সেই হুমদো মোটা মহিলার ফেলে আসা কোকাকোলার মধ্যে এইটুকুই তফাত যে কোকাকোলাটা আফ্রিকান অভুক্তের পক্ষেও ক্ষতিকর।


এখন আপনি বলবেন যে তাও, দৌড়ে যে এন্ডরফিন স্খরন হয়, তার থেকে যে সুখানুভব, সেটা কখনোই gluttony তুলনীয় নয়। আনন্দ যে হয় তা একদম হক কথা। এন্ডরফিনের জবাব নেই। আমার এক বন্ধুর বন্ধু জানিয়েছেন যে তার দৌড়ের আনন্দ মাচ বেটার দ্যান সেক্স। ইনি ফ্রেঞ্চ। জাতিগত ভাবে সেক্স সম্বন্ধে শেষ কথা। কিন্তু সেটা ভাল আনন্দ ভাবছেন কেন? একটু দূর থেকে ভাবুন। আপনি একটা মাঝবয়েসি লোক। ট্রেডমিলে পাইপাই করে দৌড়োচ্ছেন। দরদর করে ঘামছেন। অথচ কোথাও যাচ্ছেন না, কিছ্ছু প্রডিউস করছেন না। নিজের ঘাম ছাড়া। আল্ফা সেন্টাউরি লোকজন টেলিস্কোপে দেখে আপনাকে পাগল ভাবলে, দোষ দেওয়া যাবে? আর এতে আনন্দের কারণটাই বা কি। কারণ evolution আপনার মাথা মেখে আছে, individual will, rationality অনেক ওপরে। ধরুন আপনি মাইল দুরন্ত দৌড়ে আনন্দে আত্মহারা। আপনাকে আজ দেখলে পাগল মনে হবে ঠিকই, কিন্তু হাজার পঞ্চাশেক বছর আগে এই মাইল আপনাকে বনশুঁয়োরে তাড়িয়ে আনত। আর দৌড়টা শেষ করতে পারলে আপনার খুসি হওয়া স্বাভাবিক, আপনি জীবিত। ঠিক এই আনন্দটাই আজও আপনি পান। সেই বাঁদরের এক্সপেরিমেন্টের মত আপনিও pattern follow করছেন, মূল কারণটা বহুদিন নেই। 


এবার ভাবুন অতিভক্ষনের আনন্দের কথা। কিসের এত খুসি চারটি চিনি খেলে? একি কথা, evolution অতিভক্ষন অতি আধুনিক সমস্যা। ইতিহাস না খেতে পাওয়ার, শক্তির অভাবের। স্বাভাবিক ভাবেই সুগার কি ফ্যাটের মত high energy খাবার পেলে সে চাপ খানিক মেটে, আর তাতেই বুনো মানুষ খুসি। আমাদের কারণ নেই, নেহাত যারা খেতে পায়না, তারা ছাড়া সবাই অনেক খেতে পারি। কিন্তু খুসির ভাবটা যায়নি। তাই বেশি খাই। খুব আলাদা? আপনার ট্রেডমিলের অপচয় থেকে


তাইলে জগতসংসারের ভালো করতে কি করবেন? সহজ, খাবেন কম, যতটা কাজে লাগে। খবরদার দৌড়বেন কি জিম করবেন না। অলস হবেন। আর যদি শরীরচর্চা করতেই চান তো করুন, শুধু হ্যাংলা কি মাতাল কে অচ্ছেদ্দা করবেন না। আপনার থেকে মন্দ না তেমন।